২১ টি কম্পিউটার কীবোর্ড ব্যবহারের শর্টকাট কমান্ড ও নিয়ম

কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট ; আপনি কি লেখক হতে চান? নিজের আকর্ষণীয় লেখনি দিয়ে মানুষকে অভিভূত করতে চান? এজন্য প্রয়োজনীয় নিজের সাধারণ লেখাটিকে খুব ভালোভাবে সম্পাদনা করা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজের ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে কাজটি করা যে অসম্ভব কঠিন এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু দিনশেষে যখন একটা ভালো লেখা আপনার হাত দিয়ে বেরিয়ে আসবে তখনকার আনন্দ ছাপিয়ে যাবে পূর্বের সব কষ্ট কে।

কিন্তু, কি-বোর্ড যখন নিজের আয়ত্তে থাকে না, বারবার টাইপিং মিস্টেকের মতো সমস্যা সামলাতে হয়। তখন চাইলেও নিজের ইচ্ছে মতো লেখা যায় না। শব্দগুলো অনায়াসে আঙ্গুলের মাথায় আসে ঠিকই কিন্তু কিবোর্ডে টাইপ করার আগেই হারিয়ে যায়। সেজন্য ভালো লেখক হওয়ার অন্যতম একটি শর্ত হলো টাইপিং এ দক্ষ হওয়া।

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু কম্পিউটার ও এমএস ওয়ার্ড কীবোর্ড এর ২১ টি সহজ শর্টকাট কমান্ড ( Computer KeyBoard Shortcut ) ও এদের ব্যবহার নিয়ে। চলুন তবে শিখে নেই ঝটপট টাইপিং এর উপায়।

টাইপিং শর্টকাটের উপকারিতা

একটানা কোনো প্রবন্ধ পড়ে যেতে থাকলে একঘেয়েমি চলে আসা স্বাভাবিক।তাই, প্রায়ই একজন লেখককে তার লেখাটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলতে বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত, প্রবাদ-প্রবচন ইত্যাদি যোগ করতে হয়।যদি লেখাটি একটু ফরমেট করে ইটালিক বা বোল্ড করে দেয়া যায় তবে খুব সহজেই তা পাঠকের নজরে আসবে।

কখনো কখনো লেখার বিন্যাসে পরিবর্তন আনতে হয়। যেমন তথ্যগুলো লেখার কেন্দ্রে বেশি মানানসই নাকি ডান অথবা বাম পাশে সরিয়ে আনলে ভালো লাগবে তা বিবেচনা করতে হয়। তো,আজকের এই শর্টকাট টিপস গুলো এসব ক্ষেত্রে দারুণ সহায়ক হবে।

কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কমান্ড / নিয়ম

এই ২১ টি অতি গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কমান্ড আপনাকে অনেক দ্রুত নিরুপদ্রব টাইপিং করার পাশাপাশি উপহার দেবে একজন চমৎকার লেখক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা।

আমরা এখানে বোঝানোর সুবিধার্থে একটি প্লাস(+)চিহ্ন ব্যবহার করবো যাতে আপনি বুঝতে পারেন কোন ধাপের পরে কোন ধাপ অনুসরণ করতে হবে।

এমএস ওয়ার্ড কীবোর্ড শর্টকাট কমান্ড

প্রত্যেকটা টিপস নিজে চেষ্টা করে দেখার আগে আপনার উচিত হবে যে লেখাটি আপনি পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন সেটা আপনার মাউস ও ল্যপটপের কার্সর দিয়ে হাইলাইট করা। পড়তে থাকুন কোন কি / বাটন দ্বারা একবারেই আপনার লেখাটি চিহ্নিত করা যেতে পারে তা জানার জন্য।

আরো পড়ুন:  খারাপ সাইট কিভাবে ব্লক করবো? PC ব্যবহারে জরুরী ৮টি টিপস

এমএস ওয়ার্ড শর্টকাট

লেখা বোল্ড করা

লেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো সাধারণত বোল্ড করে দেয়া হয়। পাঠক যখন লেখাটি ভাসা ভাসা ভাবে পড়ে যাবেন তখন স্বাভাবিকভাবেই বোল্ড করা পয়েন্ট গুলো তার নজরে আসবে। এতে করে লেখাটার প্রতি পাঠকের গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পাবে। লেখার পসার বাড়ার সাথে সাথে লেখকেরও পসার বাড়বে।

লেখা বোল্ড করার কম্পিউটার শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+B.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+B.

লেখা আন্ডারলাইন করা

যদিও ব্লগে লেখা টাইপ করার জন্য আন্ডারলাইন করার প্রয়োজন পড়ে না কেননা এটা দেখতে অনেকটা হাইপারলিংকের মতো লাগে তথাপি কোনো প্রিন্টেড ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে এটা বেশ দরকারী। কোনো বিশেষ তথ্য বা পরিসংখ্যান ভালো ভাবে ফুটিয়ে তুলতে এই আন্ডারলাইন পদ্ধতি বেশ সহায়ক।এর জন্য করতে হবে-

লেখা আন্ডারলাইন করার কম্পিউটার শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+U.
PC keyboard এর জন্য Ctrl+U.

ইটালিক ফরম্যাটে লিখতে

ইটালিক ফরমেট বা ডানদিকে বাকিয়ে লেখা ডিজিটাল ও প্রিন্টেড উভয়টির জন্যই অত্যন্ত সুবিধাজনক। এর জন্য যা করতে হবে:

ইতালিক ফরম্যাট করার কম্পিউটার শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command(×)+I.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+I.

লেখা মাঝখানে নেওয়ার জন্য

ওয়েবসাইটে লেখালেখি করার সময় মাঝে মাঝেই মার্জিনের ভেতরে, কখনওবা ঠিক মাঝখানে ছবি যোগ করতে হয় এবং নিচে ক্যাপশন দিতে হয়। এর জন্য যা করতে হবে:

লেখা মাঝে নেওয়ার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Conmand(×)+E.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+E.

লেখার অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য

এই পদ্ধতিটি ডিজিটাল অপেক্ষা প্রিন্টেড ডকুমেন্ট এর ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে এটা লেখার সাথে যুক্ত ছবির ক্যাপশন দেয়ার জন্য বেশ উপযোগী এই টিপসটি। এর সাহায্যে মার্জিনের ভেতরে বেশ সুন্দরভাবে বিন্যাস করার পাশাপাশি লেখার মাঝে অতিরিক্ত স্পেস ও দেয়া যায়। এর জন্য যা করতে হবে-

প্রতিটি লাইনের দৈর্ঘ্য সমান করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command(×)+J.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+J.

বাম দিকে সরানোর জন্য

বেশিরভাগ ওয়ার্ড প্রসেসর সাধারণত লেফ্ট জাস্টিফাই করাই থাকে।তারপরও কখনো যদি প্রয়োজন হয় তাহলে নিম্নোলিখিত টিপসটি চেষ্টা করা যায় –

বাম দিকে সরানোর কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+L.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+L.

ডান দিকে সরানোর জন্য

আপনি যদি আপনার লেখার বিন্যাস ডান দিকে নিয়ে আসতে চান তবে আপনাকে নিচের টিপসটি ফলো করতে হবে। এটা খুবই সহজ।

ডান দিকে সরানোর কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command(×)+R.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+R.

কম্পিউটার কিবোর্ড এডিটিং শর্টকাট

এখন আমরা আলোচনা করবো এডিটিং শর্টকাট নিয়ে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে কি-বোর্ডে হাত চালিয়ে নেয়ার জন্য নিচের টিপস গুলো ফলো করা আবশ্যক।

এডিটিং হতে পারে লেখার সবচেয়ে সুন্দরতম অংশ যদি আপনি আপনার খসড়াটিকে অত্যন্ত চমকপ্রদভাবে পাঠকের সামনে তুলে ধরতে পারেন। তাই আপনার উচিত নিচে বর্ণিত শর্টকাট টিপস গুলোর প্রতি মনোযোগী হওয়া।

আরো পড়ুন:  গুগল ক্রোম ব্রাউজার এক্সটেনশান এখন মোবাইলেও

লেখা নির্বাচন করা

খসড়াটি যখন সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই একটা পর্যালোচনার প্রয়োজন হয়। দ্রুত লেখা সম্পাদনা করার জন্য আপনি কি বোর্ড কমান্ড ব্যবহার করতে পারেন।

এরপর যখন লেখাটি নির্বাচন করা হয়ে যাবে তখন আপনি এটাকে কপি বা কাট করে মানানসই জায়গায় পেস্ট করতে পারেন। এজন্য যা করতে হবে-

লেখা সিলেক্ট করার কম্পিউটার শর্টকাট :
Mac keyboard এর জন্য: Shift+Left/Right/Up/Down Arrow key
PC keyboard এর জন্য: Shift+Left/Right/Up/Down Arrow key

আপনাকে প্রথমে শিফট বাটনে প্রেস করতে হবে তারপর উপরের টিপস মোতাবেক উপযুক্ত Arrow key তে প্রেস করে বারবার ট্যাপ করে যেতে হবে। বারবার ট্যাপ করার ফলে আপনি প্রকৃতই যে অংশটি নির্বাচন করতে চাচ্ছেন সেটা যথাযথভাবে নির্বাচন করতে পারবেন।

এরপর, যখন আপনি ‘শিফট’ ও ‘অ্যারো’ বাটন থেকে আপনার আঙ্গুল সরিয়ে নেবেন তখন নির্বাচিত লেখাটি হাইলাইটেড হয়ে যাবে এবং আপনার পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে থাকবে।

লেখা কপি করা

প্রথমে লেখাটি নির্বাচন করতে হবে তারপর নিচের নিয়মে কপি করে নির্দিষ্ট জায়গায় পেস্ট করতে হবে। এজন্য যা করতে হবে –

লেখা কপি করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command(×)+C
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+C

লেখা কাট করা

কখনো কখনো লেখার কোনো অংশে বাদ দেয়ার বা মুছে ফেলার প্রয়োজন হয়।কি বোর্ডের ব্যাকস্পেস বাটনটি ডিলেট করতে সহায়ক হতে পারে কিন্তু কাট করা বা বাদ দেয়ার জন্য প্রথমে লেখাটিকে নির্বাচন করতে হবে তারপর-

লেখা কাট করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command (×) + X.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+X.

লেখা পেস্ট করা

এজন্য লেখাটি নির্বাচনের পর পর্যায়ক্রমে কাট- কপি করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট স্থানে পেস্ট করতে হবে।এজন্য যা করতে হবে-

লেখা পেস্ট করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট: 
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+ V.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+V.

শব্দ খুঁজে বের করার জন্য

যখন কোনো লেখার প্রুফ রিডিং দেখা হয় তখন লেখাটিতে বেশি ব্যবহৃত শব্দ বা শব্দাংশ গুলো প্রায়ই সামনে আসে।কখনো কখনো কোনো বানান ভুল বা বিন্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। নিয়ম না জানা থাকলে অনেক সময় নষ্টের পাশাপাশি কাজে একঘেয়েমিও চলে আসতে পারে।

আপনি আপনার খসড়া থেকে নির্দিষ্ট শব্দ খু্ঁজে নেয়ার জন্য ‘ফাইন্ড ‘ফাংশনটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে একটি সার্চ বক্স আপনার স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। এই বক্সটিতে আপনি আপনার সার্চকৃত সব ধরনের শব্দ, উদাহরণ তালিকাভুক্ত করতে পারবেন। এত ঝামেলার চাইতে চলুন জেনে নেই শর্টকাট নিয়ম।

কোনো শব্দ পরিবর্তন বা রিপ্লেস করার জন্যও এই কিবোর্ড শর্টকাট কমান্ড ব্যবহার করতে পারেন।

শব্দ খুঁজে বের করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Command(×)+ F.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+F.

হাইলাইটস করার জন্য

লেখার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অংশকে চিহ্নিত করার প্রক্রিয়াকেই হাইলাইটস করা বলা হয়। এজন্য উপরে উল্লিখিত ‘লেখা নির্বাচন’ টিপসটি ফলো করাই শ্রেয়। Mac এবং PC উভয়ের ক্ষেত্রেই।

আরো পড়ুন:  কম দামে ভালো ল্যাপটপ ২০২৩ | Low Price Laptop in Bangladesh

কম্পিউটার কীবোর্ড ফাংশন শর্টকাট

এবার আলোচনা করবো ‘ফাংশন শর্টকাট’ নিয়ে। এটি হলো সেসব সাধারণ ধাপগুলোর সমন্বয় যা প্রতিটি লেখকেরই প্রয়োজন পড়ে। ফাংশনাল কাজগুলোর অন্তর্ভুক্ত হলো:

১/ স্ক্রিনশট নেয়া
২/ লেখা সংরক্ষণ করা
৩/ ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা
৪/ প্রিভিউ প্রিন্ট করা
৫/ ট্যাবগুলোতে পরিবর্তন আনতে ইত্যাদি।

এসব সমস্যার ঝটপট সমাধানের জন্য নিম্নের টিপস গুলো ফলো করা উচিত।

স্ক্রিনশট নেয়ার জন্য

লেখার মাঝে কখনো কখনো স্ক্রিন প্রিন্টের প্রয়োজন হয়।তখন ঝটপট স্ক্রিনশটের মাধ্যমে কাজটি করে নেয়া যায়। এজন্য যা করতে হবে-

স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Shift+ Command(×)+4.
PC keyboard এর জন্য: Prt Scn button

প্রিন্ট স্ক্রিন কমান্ড দেওয়ার পর অবশ্যই কোনো জায়গায় পেস্ট করতে হবে, তা না হলে রেজাল্ট দেকতে পারবেন না।

লেখা সংরক্ষণ করার জন্য

ইদানিং বিভিন্ন সফটওয়্যারে অটোসেভ অপশন আছে যা লেখাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সংরক্ষণ করে নেয়।তবে যেসব সফটওয়্যারে নেই তার জন্য নিজেকেই সেইভ করে রাখতে হয়।এতে করে খসড়া লেখাটা হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। চলুন তবে পরিচিত হয়ে নেই সেইভ শর্টকাটের সাথে:

লেখা সেভ করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট: 
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+ S.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl + S.

ডকুমেন্টস প্রিন্ট করার জন্য:

এজন্য লেখা শেষ করার পর যা করতে হবে তা হলো-

লেখা প্রিন্ট করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট: 
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+ P.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+P.

প্রিভিউ প্রিন্টের জন্য:
যদি কখনো কোনো লেখা চূড়ান্তভাবে প্রিন্ট করার আগে প্রিভিউ দেখার প্রয়োজন পড়ে তখনই এই টিপসটি ফলো করতে হবে।

লেখা প্রিন্ট প্রিভিউ দেখার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট: 
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+P.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+F2.

এটা প্রেস করার সাথে সাথেই ডকুমেন্টের প্রিভিউ সামনে চলে আসবে।

ব্রাউজার ট্যাবগুলোতে পরিবর্তন আনতে:

ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করার সময় আমরা প্রায়শই অনেকগুলো ট্যাব ওপেন করি, একটি থেকে আরেকটিতে প্রবেশ করার জন্য কম্পিউটার কি বোর্ড কমান্ড ব্যবহার করলে আরো দ্রুত কাজ করা যায়। এর জন্য যা করতে হবে

ব্রাউজার ট্যাব পরিবর্তন করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য: Control+Tab.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl + Tab.

সর্বশেষ ভুল কাজটি বাতিল করার জন্য

আপনি হয়তো ভাবছেন কিবোর্ডের সাহায্যে কি করে পেছনে করে আসা ভুল সংশোধন করা যায়!
আপনার জন্যই এখনকার টিপসটি:

লেখা আনডো করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট: 
Mac keyboard এর জন্য: Command (×)+Z.
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+ Z.

ভুলবশতঃ কোনো লেখা আনডু (undo) হয়ে গেলে রিডু(redo) করার জন্য নিচের টিপস ফলো করতে হবে।

Mac keyboard এর জন্য: Shift +Command (×)+Z
PC keyboard এর জন্য: Shift+Ctrl+Z অথবা, Ctrl+Y.

পূর্বোক্ত লেখাটি পুনরায় লেখার জন্য:

আপনি যদি কোনো লেখা  পুনরায় লিখতে চান তখন নিচের টিপস গুলো ফলো করতে হবে-

লেখা রিপিট করার কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট:
Mac keyboard এর জন্য : Command+ Y
PC keyboard এর জন্য: Ctrl+ Y অথবা, Ctrl+ F4.

শেষ কথা

‘Practice makes a man perfect’ একটি অতি পরিচিত প্রবাদ। ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার কীবোর্ড শর্টকাট কমান্ড প্রচুর রয়েছে, মোটামুটি সব কাজই শুধুমাত্র কিবোর্ড ব্যবহার করেই করা সম্ভব।

কিন্তু এসব একদিনেই আয়ত্ত করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক চেষ্টা-সাধনা। অনেক ভুল হবে, সময় লাগবে, কিন্তু ভেঙে পড়া যাবে না। বারবার ভুল হতে হতেই সফলতা একদিন ধরা দেবে।

আজকের আলেচনার মাধ্যমে কিবোর্ডের যে শর্টকাট নিয়মগুলো শিখতে পারলাম তা বারবার চর্চা করে আয়ত্ত্বে আনতে হবে। তাহলেই একদিন ভালো লেখক হয়ে ওঠা যাবে বলেই আমার বিশ্বাস।